ক্লাসে প্রথম, তবুও পরীক্ষা দেয়া হচ্ছেনা মাহমুদের

ক্লাসে প্রথম, তবুও পরীক্ষা দেয়া হচ্ছেনা মাহমুদের

January 28, 2020 1079 By মিরসরাই খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক::
ইবতেদায়ী থেকে দশম পর্যন্ত প্রতিটি শ্রেণীতে ভালো ফলাফল করে আসছিলো মাহমুদ হাসান। পরিবারের সকলের স্বপ্ন ছেলে আগামীতে দাখিল পরীক্ষায় ও কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হবে। অথচ দাখিল পরীক্ষার সময় ঘনিয়ে আসার পর জানা গেলো পরীক্ষাই দিতে পারবেনা মাহমুদ।  অধ্যক্ষের দায়িত্ব অবহেলা এবং মাদরাসা কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না বাহার চৌধুরী নূরীয়া দাখিল মাদ্রাসার মেধাবী ছাত্রটি।
নবম শ্রেণিতে থাকার সময় রেজিস্ট্রেশন তালিকায় নাম না ওঠায় এমনটি হয়েছে বলে দাবি করছেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

mAD

মাহমুদ হাসানের বাবা জাহাঙ্গীর কবির জানান, আমার ছেলে বরাবরই ভালো ফলাফল করে আসছে। জেডিসি পরীক্ষায় বৃত্তিও লাভ করেছে। সর্বশেষ নবম শ্রেণীতে রোল তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণীতে ১ম স্থান পেয়ে উত্তীর্ন হয়। এবারের দাখিল পরীক্ষার জন্য অনেক ভালো প্রস্তুতি ছিলো তার। কয়েকদিন আগে মাহমুদ হাসানকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত কিছু কিছু অফিসিয়াল ভূল আছে। তবে সেগুলো পরীক্ষার আগে ঠিক করে দেয়া হবে।
জাহাঙ্গীর কবির আরো জানান, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বলেছিলেন ১৪ জানুয়ারির মধ্যে রেজিষ্ট্রেশন করে পরীক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। কোন কারনে পরীক্ষা দিতে না পারলে সে দায় অধ্যক্ষ নিজে নেবেন। অথচ তাদের গাফিলতিতে এখন আমার ছেলের শিক্ষা জীবন ধ্বংসের মুখে। আগামী ২০২২ সালের আগে সে পরীক্ষা দিতে পারবেনা।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে মাদ্রাসা অধ্যক্ষ মো. শফিউল্যার ফোনে একাধিকবার কল করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী ওই ছাত্রের পিতা জাহাঙ্গীর কবির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মাদ্রাসার পরিচালনা পরিষদের সভাপতি রুহুল আমিন বরাবরে লিখিত একটি অভিযোগ দিয়েছেন।
মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন জানান, বাহার চৌধুরী মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব অবহেলায় এক ছাত্রের পরীক্ষা দিতে না পারার বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাতে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

mAD