গ্রেনেড হামলায় খালেদাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে : হাছান

গ্রেনেড হামলায় খালেদাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে : হাছান

August 20, 2018 42 By মিরসরাই খবর

মিরসরাইখবর ডেস্ক::

mAD

২০০৪ সালে বিএনপি সরকারের আমলে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করা হয় আওয়ামী লীগের জনসভায়। এ হামলার সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন তারেক রহমান এবং মদদ দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। তাই এ বিচারের আওতায় খালেদা জিয়াকেও আনতে হবে। তা না হলে বিচারপ্রক্রিয়া সুষ্ঠু হবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

সোমবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত নৃশংস ২১ আগস্ট স্মরণে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়, তখনকার সংসদীয় বিরোধীদলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তারেকের নেতৃত্বে গ্রেনেড হামলা করা হয়। দেশ-জাতি ও আওয়ামী লীগের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এ হামলা, বর্বরতার চিত্র।

ঐদিন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানববর্ম তৈরি করে বাঁচিয়ে ছিল। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার চেয়েছিল শেখ হাসিনাকে নিঃশেষ করতে। আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আইভী রহমানসহ ২৪ নেতাকর্মী নিহত হন। সেই চিত্র আজও চোখের সামনে ভেসে ওঠে। সেই সন্ত্রাসীদেরকে আপনারা পৃষ্ঠপোষকতায দিয়ে বিদেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন, যাতে তাদের বিচার না করা হয়। যতই চেষ্টা করুন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিচার হবে।

তিনি বলেন, বিচারক জয়নাল আবেদিনকে ২১ আগস্ট গ্ৰেনেড হামলার তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছিল তৎকালীন সরকার। কিন্তু তিনি যে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছিলেন তা ছিল খুবই হাস্যকর ও গাজাখোরি প্রতিবেদন। প্রতিবেদনে তিনি বলেছেন এই হামলার সাথে ইজরায়লি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ জড়িত ছিল। তিনি বলেন, জয়নাল আবেদীন আপনি বিচারক, যুগে যুগে আপনার মতো কিছু বিচারক সৃষ্টি হয় যারা অপকর্মের সহযোগিতা করে। এটি এমন একটা হামলা যা দিবালোকের মতো পরিস্কার। এমন প্রতিবেদনের জন্য এ হামলার দায় আপনিও এড়াতে পারেন না।

গ্ৰেনেড হামলায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, কোনো বাড়িতে চুরি হলেও পুলিশ সেই দায় এড়িয়ে যেতে পারে না। অথচ আমাদের উপর গ্ৰেনেড হামলার সময় পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করেছিল। কিন্তু এর জন্য কর্তব্যরত পুলিশদের কাওকে কোনো কৈফিয়ত বা শাস্তির আওতায় আনা হয়নি। অর্থাৎ এ থেকে হামলায় সরকারের ভূমিকা সহজেই অনুমেয়।

বঙ্গবন্ধুর সাংস্কৃতিক জোটের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য চিত্তরঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বঙ্গবন্ধুর সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি ০পীযুষ বন্দোপাধ্যায়, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু জাফর সূর্য, সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস প্রমুখ।

mAD