চট্টগ্রামে ২৮ জনের পরীক্ষা, ফলাফল নেগেটিভ

চট্টগ্রামে ২৮ জনের পরীক্ষা, ফলাফল নেগেটিভ

March 31, 2020 798 By মিরসরাই খবর

চট্টগ্রামে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ছয়দিনে ২৮ জনের করোনার পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার ষষ্ঠ দিনেও গতকাল সোমবার ছয়জনের করোনার পরীক্ষা করা হয়েছে। গত রোববার সাতজনের করোনার পরীক্ষা করা হলেও ছয়জনের নমুনায় করোনার অস্তিত্ব নেই। একজনের সন্দেহাতীত নয়, সেজন্য পুনরায় আজ মঙ্গলবার করোনার পরীক্ষা করা হবে। সন্দেহাতীত রোগী কক্সবাজারে করোনা আক্রান্ত হওয়া রোগীর সংস্পর্শে ছিলেন বলে জানা গেছে।
বিআইটিআইডি সূত্র জানা যায়, দেশে করোনার রোগী শনাক্তের পর গত তিন সপ্তাহে চট্টগ্রামের মোট ৪৩ জনের পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জনের নমুনা বিআইটিআইডি সংগ্রহ করলেও পরীক্ষা করেছে আইইডিসিআর। গত বুধবার থেকে বিআইটিআইডিতে ছয় দিনে ২৮ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।
চট্টগ্রামে বিআইটিআইডি প্রধান ডা. মামুনুর রশীদ জানান, বিআইটিআইডিতে মোট ২৮ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ২২টি পরীক্ষায় একটি বাদে সব পরীক্ষার ফলাফল ছিল নেগেটিভ। গতকাল সোমবার বিআইটিআইডিতে আজ আরো ছয়জন রোগীর করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এসব পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া যাবে আজ।

mAD

বিআইটিআইডির মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাকিল আহমদ বলেন, বিআইটিআইডিতে ছয় দিনে ২৮ জন করোনার পরীক্ষার মধ্যে ২২ জনের করোনার পরীক্ষার রিপোর্টে ২১ জন সন্দেহাতীতভাবে করোনামুক্ত। গত রোববার পঞ্চম দিনে সাতটি পরীক্ষার ফলাফল আমরা হাতে পেয়েছি। এর মধ্যে ছয়জনের বিষয়ে আমরা সন্দেহাতীতভাবে নিশ্চিত হয়েছি, তারা করোনামুক্ত। একটি পরীক্ষা আবারও করার সিদ্ধান্ত হয়েছে, তবে তিনি চট্টগ্রামের রোগী নয়। তিনি সন্দেহাতীতভাবে করোনামুক্ত নন। এই রোগী কক্সবাজারে করোনাক্রান্ত হওয়া নারীর সংস্পর্শে ছিলেন। আজ আবার নতুন করে তার নমুনা সংগ্রহ করা হবে। পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া যাবে আগামীকাল বুধবার।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি জানান, চট্টগ্রামে কিট আসার পর থেকে ২৮ জনের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল সোমবার আরো নতুনভাবে ছয়জনের পরীক্ষা করা হয়েছে। এক পর্যন্ত ২২ জনের পরীক্ষার রিপোর্ট পেয়েছি, কোনো করোনার রোগী শনাক্ত হয়নি। তিনি আরো বলেন, গতকাল সোমবার হোম কোয়েরেন্টাইনে থাকা ৯ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তাদের মাঝে কোনো ধরনের করোনার লক্ষণ দেখা যায়নি। বর্তমানে চট্টগ্রামে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ৯৩৮ জন।
উল্লেখ্য, গত ২৪ মার্চ কক্সবাজার সরদ হাসপাতালে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এ ঘটনায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর যেসব ডাক্তার-নার্স ওই রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছেন তাদের সবাইকে কোয়েরেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয় তার পরিবারের সদস্যদেরও।

mAD