জামাতে নামাজ আদায়ে রয়েছে যে উপকারিতা

জামাতে নামাজ আদায়ে রয়েছে যে উপকারিতা

July 10, 2018 573 By মিরসরাই খবর

মিরসরাই খবর ডেস্ক:: মুসলিম উম্মাহর অসংখ্য লোক আছে যারা প্রতিদিনই নামাজ পড়ছেন; কিন্তু জামাআতে অংশ গ্রহণ করছেন না। কর্ম-ব্যস্ততা বা অসুবিধা ভিন্ন কথা। ইচ্ছা ও অবহেলা করেই অনেকে জামাআত ত্যাগ করে।

অথচ ইসলামের অন্যতম সুন্দর দৃশ্য হলো জামাআতে নামাজ আদায় করা। জামাতে নামাজ আদায় হলো সারিবদ্ধ হয়ে ফেরেশতাদের ইবাদাতের সঙ্গে সামঞ্জস্য।

জামাতে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে মানুষের পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, পরিচয় লাভ ও সহনশীলতার শিক্ষা লাভ করে। মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সম্মান, শক্তি প্রদর্শিত হয়।

এ কারণে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ মুসলিম; যার মসজিদে যাওয়ার শক্তি রাখে; তাদের জন্য মসজিদে জামাআতে নামাজ আদায় করা ওয়াজিব করেছেন। তা সফর অবস্থায় হোক কিংবা বাড়িতে থাকা অবস্থানকালীন সময়ে হোক।

তাইতো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জামাআতে নামাজ আদায় সম্পর্কে অনেক সাওয়াব ফজিলত ও মর্যাদার ঘোষণা দিয়েছেন।

১. হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘একা একা নামাজ আদায়ের চেয়ে জামাআতে নামাজ আদায়ের ফজিলত ২৭ (সাতাশ) গুণ বেশি।” অন্য বর্ণনায় এসেছে, ’২৫ (পঁচিশ) গুণ বেশি।’ (বুখারি, মুসলিম)

২. হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার কোনো ফরজ (নামাজ) আদায়ের জন্য (নিজ) ঘরে ওজু করে আল্লাহর কোনো ঘরে (মসজিদে) রওয়ানা হয়; ওই বান্দার প্রতিটি কদমের দুই ধাপের প্রথমটির দ্বারা একটি গোনাহ মাফ হয়ে যায় এবং অপরটির দ্বারা তার একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয়।’ (মুসলিম)

৩. হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু আরো বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যায় মসজিদে গমন করে; আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে মেহমানদারির (অতিথির সেবার) ব্যবস্থা করেন, যখন সে সকাল-সন্ধ্যা গমন করে।’ (বুখারি, মুসলিম)